২০ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টানা দ্বিতীয় জয়

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টানা দ্বিতীয় জয়

টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকা স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে। এই জয়ে ‘ডি’ গ্রুপে দুই ম্যাচ শেষে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বের পথে বড় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে মার্কিনরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ইনজুরির কারণে দলের তারকা ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক মাঠে না থাকলেও তার অনুপস্থিতি তেমনভাবে টের পেতে দেয়নি স্বাগতিকরা। তার পরিবর্তে একাদশে থাকা হাজি রাইট শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করেন।

এই চাপের মধ্যেই ১১তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। উইং থেকে আসা একটি ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান বার্জেস অসাবধানতাবশত বল নিজের জালে পাঠিয়ে দেন।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ৪৩তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সের্হেনিও দেস্তের শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে উপরে উঠে যায়, সেই বলেই মাথা ছুঁয়ে গোল করেন ফ্রিম্যান। শুরুতে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া ব্যবধান কমাতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা আক্রমণে লিড বাড়ানোর চেষ্টা করে। দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় প্রথমার্ধে করা দুই গোলই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়। এই জয়ে গ্রুপ ‘ডি’ তে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, আর টিকে থাকতে শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই অস্ট্রেলিয়ার সামনে।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ 'সি'তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।

অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টানা দ্বিতীয় জয়

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টানা দ্বিতীয় জয়

টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকা স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে। এই জয়ে ‘ডি’ গ্রুপে দুই ম্যাচ শেষে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বের পথে বড় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে মার্কিনরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ইনজুরির কারণে দলের তারকা ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক মাঠে না থাকলেও তার অনুপস্থিতি তেমনভাবে টের পেতে দেয়নি স্বাগতিকরা। তার পরিবর্তে একাদশে থাকা হাজি রাইট শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করেন।

এই চাপের মধ্যেই ১১তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। উইং থেকে আসা একটি ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান বার্জেস অসাবধানতাবশত বল নিজের জালে পাঠিয়ে দেন।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ৪৩তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সের্হেনিও দেস্তের শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে উপরে উঠে যায়, সেই বলেই মাথা ছুঁয়ে গোল করেন ফ্রিম্যান। শুরুতে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া ব্যবধান কমাতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা আক্রমণে লিড বাড়ানোর চেষ্টা করে। দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় প্রথমার্ধে করা দুই গোলই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়। এই জয়ে গ্রুপ ‘ডি’ তে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, আর টিকে থাকতে শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই অস্ট্রেলিয়ার সামনে।

ফিফার বিজ্ঞাপন বাণিজ্য থেকে বাদ যায়নি রেফারির ‘বোগল’

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
ফিফার বিজ্ঞাপন বাণিজ্য থেকে বাদ যায়নি রেফারির ‘বোগল’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার জন্য টাকার খনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফার বাণিজ্যিক আগ্রাসন যেন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

আয়ের জন্য প্রতিটি খাতকে যেভাবে নিঙড়ে নেওয়া হচ্ছে, তা ফুটবলপ্রেমীদের যেমন চমকে দিয়েছে, তেমনি সমালোচনার ঝড়ও তুলেছে।

অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তই বিজ্ঞাপন প্রচারে ব্যয় করছে ফিফা, এমনকি এবার অব্যবহৃত থাকছে না রেফারির বগলও!

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অতিরিক্ত আয়ের জন্য ফিফা এবার সম্পূর্ণ নতুন ও অদ্ভুত এক পন্থা বেছে নিয়েছে, যেখানে চতুর্থ রেফারির বগলের অংশে বিজ্ঞাপন বিক্রি করছে তারা।

ফুটবল ইতিহাসে নজিরবিহীন এই ‘বগল বিজ্ঞাপন’ মূলত চলতি বিশ্বকাপ থেকে ফিফার প্রত্যাশিত ৮.৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের শত শত উৎসের একটি মাত্র।

২০২৩-২০২৬ চক্রে ফুটবলের সর্বোচ্চ এই সংস্থাটির লক্ষ্য রেকর্ড ১৩ বিলিয়ন ডলার আয় করা, যার সিংহভাগই আসবে এই চলমান বিশ্বকাপ থেকে।

এই বিপুল অংকের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে ফিফা এমন এক কৌশল নিয়েছে, যেখানে আয়ের সামান্য সম্ভাবনা থাকলেও কোনো জায়গা হাতছাড়া করা হচ্ছে না। সম্প্রতি ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচে এক অভিনব দৃশ্য দেখা যায়।

মাঠের পাশে যখন বদলি খেলোয়াড় নামানোর বোর্ড প্রদর্শন করা হচ্ছিল, তখন চতুর্থ রেফারির বগলের নিচে ঘাম ও দুর্গন্ধ প্রতিরোধক ব্র্যান্ড ‘শিওর’-এর লোগো জ্বলজ্বল করছিল।

ব্রিটিশ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভারের মালিকানাধীন এই ব্র্যান্ডটি মনে করছে, ঘামরোধী পণ্যের প্রচারের জন্য রেফারিদের বগলের চেয়ে উপযুক্ত ও কার্যকর বিজ্ঞাপনস্থল আর হতেই পারে না!


জানা গেছে, বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচে ‘শিওর’-এর আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ‘রেক্সোনা’র নাম এভাবে প্রদর্শিত হবে।

এটি কেবল রেফারির বগলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, অতিরিক্ত সময় ও খেলোয়াড় বদলের সংকেত দেওয়া ডিজিটাল বোর্ডেও সমানভাবে শোভা পাচ্ছে।

অবশ্য ফিফা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আপাতত সহকারী রেফারি এবং মূল রেফারিদের বগলে কোনো বিজ্ঞাপন রাখা হয়নি, কেবল চতুর্থ রেফারিদের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।

বিজ্ঞাপন বাণিজ্যের এখানেই শেষ নয়, এবারের বিশ্বকাপে বাণিজ্যিকীকরণের জন্য একের পর এক নজিরবিহীন ক্ষেত্র সামনে এনেছে ফিফা।

এমনকি ম্যাচের প্রতি কোয়ার্টারে যখন নির্ধারিত পানিবিরতি দেওয়া হচ্ছে, তখনও বসে নেই সম্প্রচারকারীরা; সেই সময়টুকুতেও টেলিভিশন স্ক্রিনে দেখানো হচ্ছে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি মাঠের টিকিট ও স্যুভেনির বিক্রি থেকেও দেদারসে টাকা আসছে।

গত বুধবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৪-২ গোলে জয়ের রোমাঞ্চকর ম্যাচটিতে স্টেডিয়ামের বাইরে বিভিন্ন অফিশিয়াল স্টোরের সামনে দর্শকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

তিনটি দেশের যৌথ আয়োজনে চলমান এই প্রতিযোগিতায় এবার সর্বমোট রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই আসর থেকে সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং টিকিট বিক্রির মতো প্রথাগত খাত থেকেই আয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ফিফা।

মাঠে চরম উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কি;

কাতার-কানাডা ম্যাচ পরবর্তী অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্যে তোলপাড় বিশ্বকাপ

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
কাতার-কানাডা ম্যাচ পরবর্তী অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্যে তোলপাড় বিশ্বকাপ

ভ্যাঙ্কুভার

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ 'বি'-এর ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে সহ-আয়োজক দেশ কানাডা। তবে ভ্যাঙ্কুভারে স্বাগতিকদের এই ঐতিহাসিক জয়টি শেষ পর্যন্ত মাঠের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মধ্যকার তীব্র উত্তেজনা এবং হাতাহাতির কারণে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয়।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্থের মাঝামাঝি সময়ে কাতারি মিডফিল্ডার আসিম মাদিবোর একটি বিপজ্জনক ট্যাকলের শিকার হন কানাডার ইসমাইল কোনে। গুরুতর আহত কোনেকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই স্বাগতিক শিবিরের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পরীক্ষার পর রেফারি মাদিবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এর আগে প্রথমার্ধে হোমাম আহমেদও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে কাতার ৯ জনের দলে পরিণত হয়।

৯ জনের কাতারের বিপক্ষে ম্যাচে পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করে কানাডা। দলের ফরোয়ার্ড জোনাথন ডেভিড হ্যাটট্রিক করে স্বাগতিকদের টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় জয় এনে দেন। ম্যাচ চলাকালীন গোল করার পর কানাডিয়ান ফুটবলার নাথান সালিবা তাঁর দুর্ভাগ্যবশত ইনজুরিতে পড়া সতীর্থ কোনের জার্সি উঁচিয়ে ধরে মাঠেই শ্রদ্ধা জানান।

তবে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে ৯০ মিনিট ধরে জমে থাকা উত্তেজনা বিস্ফোরিত রূপ নেয়। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর উভয় দলের খেলোয়াড়, বিকল্প বেঞ্চের সদস্য এবং কোচিং স্টাফরা মাঠের মধ্যেই একে অপরের সাথে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় ম্যাচ অফিশিয়ালদের।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্য দেখে ডাগআউটে কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ চরম হতাশা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে কাতারের স্প্যানিশ কোচ জুলেন লোপেতেগুইয়ের সাথেও তাঁর তীব্র উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়।

৬-০ গোলের এই বিশাল জয় গ্রুপ ‘বি’-তে কানাডাকে অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেলেও, ইসমাইল কোনের গুরুতর ইনজুরি এবং ম্যাচ-পরবর্তী এই বিশৃঙ্খলা স্বাগতিকদের উদযাপনের আমেজকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে। অন্যদিকে, মাঠে মাত্রাতিরিক্ত আগ্রাসী মনোভাব, ৬ গোল হজম এবং দুই খেলোয়াড়ের লাল কার্ডের পর টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সমীকরণ কাতারের জন্য এখন বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

মেসির বাবার মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল পরিবার

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
মেসির বাবার মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল পরিবার

আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনেক কিছুই ঘটেছে। তার মধ্যে আলোচিত একটা ঘটনা ছিল প্রথম গোলের পর লিওনেল মেসির কান্না। সে কান্না কেন, মেসি মুখ খুলেছিলেন বটে, কিন্তু কারণটা পুরোপুরি খোলাসা করেননি।

সেদিন রাতেই জানা গিয়েছিল, তার বাবা হোর্হে মেসি অসুস্থ। তিনি এখন চিকিৎসাধীন আছেন। তার অসুস্থতার কারণ এখনও জানানো হয়নি। তবে মেসির বিশ্বকাপে খেলার মধ্যেই বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টাইন এক সাংবাদিক জানান হোর্হে মেসি নাকি মৃত্যুবরণ করেছেন।

বিষয়টি চোখে পড়েছে মেসির পরিবারেরও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিবৃতি এসেছে তাদের পক্ষ থেকে। পরিবারটি গণমাধ্যমের কাছে ‘মানবিকতা’ দেখানোর অনুরোধ জানায়। মেসি পরিবার এক বিবৃতিতে বলে, ‘হোর্হে একটি স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।’

৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি ঠিক কী রোগে ভুগছেন, তা পরিবার থেকে খোলাসা করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তিনি এখন চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং ভালোর দিকে এগোচ্ছেন।’

এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের পর মেসি বলেছিলেন, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন একটা সময় পার করছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

মেসির মিডিয়া অফিস থেকে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। একই দিনে আর্জেন্টিনায় হোর্হে মেসির মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার থেকে বলা হয়, ‘এই সময়ে আমরা দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা এবং মানবিকতা চাই। একজন মানুষের স্বাস্থ্য এবং তার পরিবারের মানসিক শান্তি জল্পনা বা দায়িত্বহীন গণমাধ্যমের আগ্রহের বিষয় হওয়া উচিত নয়।’

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে পরিবার নিজেই তা জানাবে।